রাষ্ট্রের জিও-স্ট্র্যাটেজিক সুরক্ষা নিশ্চিতে বন্দর বিষয়ক নীতি নির্ধারণ এবং সত্যিকারের বিনিয়োগ- কারীদের ক্ষমতাবান করে বন্দরের আধুনিকায়নের আহ্বান জানান ফরহাদ মজহার। তিনি বলেন – বন্দরটা আমাদের জন্য অসম্ভব গুরুত্বপূর্ণ। ভূরাজনৈতিক এবং রণ কৌশলগত গুরুত্ব আছে এর বেশি এবং সেদিক থেকে এটাকে আমাদেরকে বিচার করতে হবে। বঙ্গোপসাগর আগামী দিনে ‘যুদ্ধের’ প্রধান ক্ষেত্র হবে মন্তব্য করে মজহার বলেন- আজকে ইকোনমির থিয়েটার যেটা, সেটা সরে যাচ্ছে গ্লোবালি। সেটা সরে যাচ্ছে এশিয়াতে এবং এশিয়ার পরে সেটা চলে আসছে বঙ্গোপসাগরে।
চট্টগ্রামের জনগণের ‘ঘুম থেকে জেগে ওঠা’ প্রয়োজন আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন এটা তাদের বন্দর এবং তাদেরকে এই বন্দর রক্ষা করার জন্য যত রকম গবেষণা দরকার, যত বিভিন্ন দিক থেকে আলোচনা দরকার এবং প্র্যাকটিক্যালি যারা অভিজ্ঞ তাদেরকে নিয়ে অবিলম্বে এই বন্দর রক্ষা কমিটি বা আমাদের একটা শ্বেতপত্র দরকার। এটা করতে পারলে ভারতের আসাম, মেঘালয় এবং ত্রিপুরাও ‘চট্টগ্রামবাসীর হবে’ মন্তব্য করে ফরহাদ মহজার বলেন – এই হওয়া মানে যে, আরেকটা দেশ দখল করা, তা না। একটা ইকোনমিক হাব গড়ে উঠবে। যে ইকোনমিক হাবটা আমাদের উন্নয়নের জন্য সাংঘাতিক রকম গুরুত্বপূর্ণ।
দেশে এতদিন ব্যবসার নামে লুটপাট চলেছে অভিযোগ করে তিনি বলেন – দেশে এখন আর কোনো ব্যবসায়ীর প্রয়োজন নেই, আমাদের প্রয়োজন বিনিয়োগকারী। চট্টগ্রাম বন্দরকে ব্যবসাবান্ধব নয়, বিনিয়োগবান্ধব করতে হবে। প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসকে উদ্দেশ করে ফরহাদ মজহার বলেন–সরকার প্রধানের উচিত ছিল নিজের এলাকা চট্টগ্রামে এসে সাধারণ মানুষসহ সবার সাথে কথা বলা।- শুক্রবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে ‘চট্টগ্রাম বন্দরের বাস্তবতা ও সংস্কার’ আলোচনায় বক্তব্য রাখছিলেন ফরহাদ মজহার।


