দ্য টেলিগ্রাফের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে- রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে নতুন প্রস্তাব দিতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্ভাব্য এই প্রস্তাব অনুসারে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের সেনাদের মধ্যে একটি ৮০০ মাইল দীর্ঘ বাফার জোন প্রতিষ্ঠা করা হবে যা তত্ত্বাবধান করবে ইউরোপীয় ও ব্রিটেনের সেনারা। ট্রাম্পের তিন সহকারী প্রস্তাবের খসড়া তৈরি করেছেন। পরিকল্পনা অনুসারে, রাশিয়া ইউক্রেনের যে ভূমি দখল করেছে এবং রুশ বাহিনী ইউক্রেনের রণক্ষেত্রে যে পরিমাণ অগ্রসর হয়েছে সেখানটাকে সীমান্ত ধরে বাফার জোন প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং ইউক্রেনকে ২০ বছরের জন্য ন্যাটোতে যোগদানের পরিকল্পনা স্থগিত রাখতে হবে।
পরিকল্পনায় আরও বলা হয়েছে, এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র সরবরাহ করবে, যেন রাশিয়া আবারও যুদ্ধ শুরু করতে না পারে। যুক্তরাষ্ট্র মিশন পরিচালনা বা তদারকিতে কোনো সেনা পাঠাবে না এবং অর্থায়ন করবে না। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি কয়েকদিন আগে সতর্ক করে বলেছেন, ইউরোপকে রক্ষা করতে গিয়ে রাশিয়াকে তুষ্ট করার চেষ্টা আত্মহত্যার নামান্তর হবে। এই মন্তব্যে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি মূলত রাশিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তির সম্ভাবনা কঠোরভাবে নাকচ করেছেন।
গত মাসেই জেলেনস্কি ইউক্রেনের পার্লামেন্টে ‘শান্তি পরিকল্পনা’ নামের একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এতে বলা হয় ইউক্রেনের ভৌগলিক অখণ্ডতার বিনিময়ে তারা কোনো শান্তি চুক্তি করবেন না। এদিকে দুদিন আগে ট্রাম্পের পরামর্শক ব্রায়ান লাঞ্জা বিবিসি-কে বলেছেন, রাশিয়ার কাছ থেকে ভূখণ্ড ফেরত পাওয়ার লড়াই নয়; ইউক্রেনকে এখন শান্তির ওপর নজর দিতে হবে।


