পিঁপড়েরা জীবন রক্ষাকারী অস্ত্রোপচার করে – ফ্লোরিডার কার্পেন্টার পিঁপড়েরা একমাত্র প্রাণী যারা নিয়মিতভাবে আহত সঙ্গীর পা পরিষ্কার করে বা কেটে ফেলে জীবন বাঁচায়।
পিঁপড়েরা কীভাবে চিহ্নিত করে আর সিদ্ধান্ত নেয় – আঘাত কোথায় হয়েছে তার উপর নির্ভর করে চিকিৎসা ঠিক করে পিঁপড়েরা। উরুতে আঘাত পেলে তা পরিষ্কার করে কেটে ফেলে, আর পায়ের নিচের অংশে (অ্যাঙ্কেল) আঘাত পেলে শুধু পরিষ্কার করে। এই বুদ্ধিদীপ্ত পদ্ধতিই বাঁচার সম্ভাবনা বাড়ায়।
চিকিৎসার ধাপ কেমন – চিকিৎসা শুরু হয় মুখ দিয়ে ক্ষত ধুয়ে পরিষ্কার করার মাধ্যমে। উরুর আঘাতে পা কেটে ফেলা হয়— পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে এটা করতে তাদের কমপক্ষে ৪০ মিনিট, কখনো ৩ ঘণ্টারও বেশি সময় লাগে।
বেঁচে থাকার হার ও সামাজিক বুদ্ধিমত্তা – যাদের পা কাটা হয়, তাদের ৯০-৯৫% বেঁচে যায়। শুধু পরিষ্কার করা হলে বাঁচে ৭৫%। কোনো চিকিৎসা না পেলে বেঁচে থাকার হার নেমে যায় ১৫-৪০%-এ। যাদের পা কাটা হয়, তারা বেশিরভাগই আবার আগের মতো কাজ শুরু করে দেয়—প্রমাণ করে, কী অসাধারণ সামাজিক চিকিৎসা পদ্ধতি গড়ে তুলেছে এই ক্ষুদ্র পিঁপড়েরা।


