তারেক রহমান যদি দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন, তখন সরকার ভ্রমণ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদানে সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, “দেশে ফেরার বিষয়টি সম্পূর্ণ তারেক রহমানের নিজস্ব সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।তবে যখনই প্রয়োজন হবে, তার ভ্রমণ নথি বা পাসপোর্ট সম্পর্কিত বিষয়গুলো আমরা দেখব।”
গতকাল বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তৌহিদ হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানান, তারেক রহমানের সব মামলা নিষ্পত্তিতে লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হচ্ছে কিনা, সে বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। এছাড়া পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন কি না, তাও তিনি নিশ্চিত নন।
ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, নতুন কোনো বিষয় নেই। তবে আগের অবস্থান পুনরায় উল্লেখ করে তিনি জানান, বাংলাদেশ পক্ষ থেকে সম্পর্ক উন্নয়নে কোনো বাধা নেই। তিনি বলেন, “দুই পক্ষ যদি একমত হয় কোনো বিষয়ে, তবে সম্পর্ক অগ্রসর হবে।”
শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ সংক্রান্ত নয়াদিল্লির চিঠির বিষয়ে তৌহিদ হোসেন জানান, এখনো ভারতের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। দ্বিতীয় দফায় চিঠি পাঠানো হয়নি। নির্বাচনে বিদেশী পর্যবেক্ষকের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রাক-নির্বাচনী অনুসন্ধান মিশন ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ সফর করেছে।” তবে বিষয়টির বিস্তারিত তথ্য তিনি জানেন না এবং জানান নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে তদারকি করছে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের এই মন্তব্যগুলো থেকে স্পষ্ট, সরকারের দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়টি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তবে সরকার ভ্রমণ নথি প্রদানে সব ধরনের সহযোগিতার প্রস্তুতি রাখছে, যা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


