(জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য, ১০ ফেব্রুয়ারি)”বিচার তাৎক্ষণিকভাবে করতে গেলে অবিচার হয়ে যায়।… আমরা অবিচারে নামবো না। আমরা যারা অপরাধী তাদের পুলিশের হাতে, আইনের হাতে সোপর্দ করবো। যারা অপরাধী নয়, পুলিশের হাতে দেওয়ার মতো নয় তাদের মানুষ করব।তাদের বলব, “ভাই, এদেশ আমরা একসাথে গড়ি, যে দেশ আমরা একসাথে গড়ার স্বপ্ন দেখছি, তোমরাও সে স্বপ্ন দেখ। এদেশ আমার একার না, তোমারও এদেশ। তুমি এদেশের সন্তান। আমিও এদেশের সন্তান। তুমি আমাকে বহু কষ্ট দিয়েছে। আমি তোমারে কষ্ট দেব না।”(জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য, ১০ ফেব্রুয়ারি)
আমরা একযোগে যত তাড়াতাড়ি পারি এটাকে একটা সুন্দর দেশ বানাবো…যারা অপরাধী তাদের অবশ্যই বিচার করতে হবে। যারা অপরাধী নয়, তাদের সৎ পথে নিয়ে আসতে হবে।”… তারা (স্বৈরাচার) চলে যায়নি। তোমাদের গ্রামেও আছে। তাদের বোঝাও যে তাদের স্বভাব পরিবর্তন করতে হবে।…তবে মারপিট করে এটা সম্ভব না। … কাউকে দেশ থেকে বের করে দিয়ে বিচার হয় না। যারা সহজে মেনে নেবে না তাদের বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে। কিন্তু যারা গণ্ডগোলের পরিকল্পনা করবে তাদের আইনের আওতায় আনবো।
…তাদের বোঝাতে হবে যে তাদের পথ ভুল এবং তারা যা করেছে তার জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত। এভাবেই আমাদের দেশ এগিয়ে যাবে। স্থায়ী সংঘাত আমাদের কেবল পিছিয়ে দেবে। আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে সংঘাত কাটিয়ে ওঠার সক্ষমতার ওপর। আমাদের সবাইকে একসঙ্গে এ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজে বের করতে হবে। “‘সম্প্রতি অনেক ঘটনা ঘটল। এটা একবার নয়, সামনে আরও বহু রকমের ঘটনা ঘটবে। কারণ ওরাতো ছাড়ছে না…যাদের তাড়িয়ে দিয়েছ, তারা বলছে সহজে মেনে নেব না। আমরা তাদের মানাব, মানতে হবে।… নতুন বাংলাদেশে যারা গন্ডগোলের সৃষ্টি করতে পারে, … তাদের নিজেদের দলে ভিড়িয়ে নেব, তা না হলে আইনে সোপর্দ করব।’


